বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সমাজব্যবস্থা একান্নবর্তী। এখানে মৌলবাদ, উগ্রবাদ, ধর্মান্ধতা ও ভয়ের সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে জীবনব্যবস্থা আবর্তিত। অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আইনের নিয়মকানুনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে
গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ধর্মীয়, রাজনৈতিক সহিংসতা, হত্যাকাণ্ড এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার খবর গভীরভাবে উদ্বেগজনক। হিন্দু, আহমদিয়া, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল নাগরিকের জীবন, সম্পদ, উপাসনালয় ও
কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা কী দেখছি? দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বয়ং মৌলবাদীদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতায় লিপ্ত। তারেক রহমান নিজেই জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। যদি একটু পেছনে ফিরে
এই দেশকে কোনো চরমপন্থা বা মৌলবাদের অভয়ারণ্য যেন কোনো দিন পরিণত হতে না হয়—সেটিও আমাদের প্রত্যাশা ও লক্ষ্য। এটি মুক্তমত ও প্রগতিশীল সকল মানুষের কাছে
“সমকামীরা কি মানুষ নয়? আমাদের কি বাঁচার অধিকার নেই? রাষ্ট্রে সকল লিঙ্গের মানুষের সমানভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে।” একটু পেছনে ফেরা যাক। সময়টা ২০২২; বাংলাদেশের
আওয়ামী লীগের যখন পতন হলো, তখন দূর প্রবাস থেকে আমিও অন্যদের মতোই আনন্দিত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, অবশেষে মানুষ স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারবে — ব্যক্তি স্বাধীনতা, মত
