কোরান শরীফের ওপর মূত্র ত্যাগে সমস্যা কি?
বাংলাদেশে দীর্ঘ পাঁচ দশকের ব্যবধানে ধর্মীয় মৌলবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বিস্তৃতি ঘটেছে। দ্বীন ইসলামের আইন ভিন্ন মত, ধর্ম, গোত্র, অবিশ্বাসী ও সংশয়বাদীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বেশ স্পষ্ট। কোরান, হাদিস, শরিয়া কিংবা ইজমা-কিয়াসের মতো বিষয়কে রাষ্ট্রধর্মে প্রতিস্থাপনে ধর্মের নামে হত্যাযজ্ঞকে এক প্রকার অনুমোদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রও এমন প্রশ্নে নির্বিকার।
কিন্তু কেন?
যুগ যুগ ধরে প্রভাব, ক্ষমতা এবং নারীর প্রশ্নে নবী মুহাম্মদের মতো অসংখ্য তথাকথিত পয়গম্বর, নবী, রাসূল ও দেব-দেবতাদের আগমনের গল্প বেশ পুরোনো। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় তৃতীয় বিশ্বের বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে ইসলামের মতো জাহেলিয়াতের ধর্মের প্রভাব বেশ প্রবল। ধর্মান্ধ মুসলমান নবী মুহাম্মদের লিঙ্গধর্ম ইসলামের শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়নে আজ একটি জিহাদি গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। যারা শুধুমাত্র ধর্মের নামে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে।
অথচ নবী মুহাম্মদের এই যৌন ধর্ম ইসলামের সূচনাই হয়েছিল নারী ও ক্ষমতার প্রভাব বলয়কে কেন্দ্র করে। ব্যভিচারী নবী মুহাম্মদ ইসলামের নামে ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে ধর্ষণ করেছিল। আয়েশার ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার আগেই যৌনগল্পের বই কোরানে আয়াত নাজিল করে নাবালিকা আয়েশাকে বিয়ে জায়েজ করে। নবী মুহাম্মদ তাঁর জীবনে ১১ স্ত্রী ও ২ যৌনদাসী নিয়ে দুনিয়ার হেরেমখানায় শুকরের মতো গ্রুপ সেক্সে মত্ত ছিল। এবং আল্লাহর দোহাই দিয়ে রূপকথার কাল্পনিক বই, যেখানে নবীর দাম্পত্য জীবন, একাধিক স্ত্রীকে গুচ্ছ চোদনের গল্প এবং শিশুধর্ষককে স্বয়ং লিঙ্গ পরিচয়হীন আল্লাহর অনুমোদনের নির্জলা সম্পৃক্ততার কথা রচিত হয়েছে।
যে কোরান এমন যৌনতার গল্পে ভরপুর, সে কোরানে মূত্র ত্যাগ করলে কি গুনাহ হবে?
কোনো সমস্যা হবে?
আমি অন্তত ব্যক্তিগতভাবে কোরান শরীফের ওপর মূত্র ত্যাগে কোনো সমস্যা দেখি না।
কোরান নিয়ে কিছু বললে মুসলমান ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার কথা বলে অন্য মানুষদের হত্যা করে, গলা কাটে ও রক্তপাত ঘটায়। কোরান এমন এক গল্পের কিতাব, সাধারণভাবেই যে কারো রুচিবোধে এটি নিয়ে কথা বলতেও বাধা দেবে।
কেউ কোরানে মূত্র ত্যাগ করবে, কেউ কফি ঢেলে দেবে, কেউ টয়লেট টিস্যু হিসেবে ব্যবহার করতে চাইবে। এতে আপত্তির কিছু নেই। দাবির মার্বেল পাথরে মূত্র ত্যাগ করতে যদি কোনো সমস্যা না হয়, যৌন গল্পের কাগজের বই কোরানে মূত্র ত্যাগেও কোনো সমস্যা নেই।
কোরানে মূত্র ত্যাগের জন্য ইসলামি মুসলিম জিহাদিরা কাউকে হত্যা করতে পারে না। কোনো মানুষ যদি কাউকে আঘাত না করে, শারীরিক এবং অবস্থানের কোনো ক্ষতি না করে, তাহলে শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কথা বলে কাউকে হত্যা করা কিংবা আঘাত করা যাবে না। আর কোরানে মূত্র ত্যাগের জন্য তো অবশ্যই না।



